দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে বিএনপিকে সংস্কারের পথে ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক ও সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু।
তিনি বলেন, বিএনপি বেগম জিয়ার আদর্শকে ভুলে বস্তির সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছাত্রদল গঠন করেছে। তারেক রহমান ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার নামে চাঁদাবাজির চাকরি দিয়েছে, সবকিছুকে দলীয়করণ করছে যা অত্যন্ত লজ্জার। তাদের মধ্যে এত লোভ ও আকাঙ্ক্ষা তারা ক্ষমতায় এসে ছয় মাস ভালো হওয়ার অভিনয়ও করতে পারেনি। আসলে বিগত ১৭ বছরের মজলুম জালিম হয়ে উঠেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মিতু বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের সাথে আমাদের ব্যক্তিগত কোন লড়াই নেই। আপনাদের সাথে আমাদের লড়াই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করার লড়াই, একটা ভালো রাষ্ট্র উপহার দেয়ার লড়াই। জুলাই নিয়ে এনসিপি ও ১১ দলীয় জোট কথা বলে। কিন্তু সরকার কতক্ষণ বলে। অথচ তারা দমিয়ে রাখার জন্য জুলাই ব্যবসার কথা বলে আমাদের অপমান করে। মূলত এটি ব্যবসা না আমরা তাদেরকে উজ্জীবিত রাখি। কারণ জুলাইয়ের প্রতি আমাদের দরদ ও মায়া রয়েছে। তাই এসব অপমান গায়ে মাখবেননা। তারা যদি জিয়ার ব্যবসা করতে পারে তাহলে জুলাইয়ের ব্যবসা করতে অসুবিধা কি। কারণ জুলাইয়ে অনেকে শহীদ হয়েছেন অনেক মায়ের কুল খালি হয়েছে। তাই ব্যবসা ব্যবসা বলে আমাদেরকে আটকিয়ে রাখা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা আসি আসি বলে তার নেতাকর্মীদের ধোকা দিচ্ছে। তার জন্য আমরা ফাঁসি নিয়ে প্রস্তুত আছি। তিনি এলে তাকে ফাঁসি দিয়ে উদযাপন করা হবে। তাই আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ রাস্তাঘাটে নামলে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।
আলোচনা সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এনসিপির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ও শহীদ জাবেরের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ ফরিদুল হক, এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা অঞ্চল) মো. আতাউল্লাহ প্রমূখ।
কেএম